Aksi sex

” বুঝলাম ওর কাছে বন্ধের নোটিশটা আগেই চলে এসেছে। ঐদিন ছিল শনিবার। তাই সেদিনই রওয়ানা হলে সাতদিনই আম্মুর সাথে থাকতে পারবো এই ভেবে আমি আর ও দুইজনই ঐ দিনই রওয়ানা দেয়ার প্ল্যান করলাম।টয়লেট কর্ম শেষ করে যখন রুমে আসলাম তখন দেখি শাওন সেই পুরোনো ঘটঘটানি শুরু করছে। ওরে ডাক দিলাম, “শাওন? –হ্যাঁ,পারবো।–তাহলে তুমি আঁক। আঁকা হইলে আমাকে দেখাইও। ঠিক আছে?

Aksi sex-61Aksi sex-81Aksi sex-89Aksi sex-81

All videos are hosted by 3rd party websites and we have no control over their contents.

–তুমারে আগেও কইছি এখনও কইতাছি যে আমি শুধু টাকার জন্য পড়াই না। আমি যদি ঢিলা দেই তাহলে আমার স্টুডেন্টের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।ও ঠোঁটটাকে একটু বাঁকিয়ে বলল, “আচ্ছা, ঠিক আছে বাবা, বাদ দাও। তোমার জন্য আমি ডাইনিং সাজাইতেছি, তুমি একটু কষ্ট করে হাত মুখ ধুয়ে আসো।”আমার খুব ঘুম আসছিল তবুও গেলাম ওয়াশরুমে। একটু পর ডাইনিং এ এসে পুরা টাস্কি খেলাম। বারো সিটের একটা ডাইনিং এর আর এক ইঞ্চিও মনে হয় খালি ছিল না। পুরা টেবিলে হাজার রকমের নাস্তা।“এত নাস্তা খাবে কে?

” আমি চেয়ারে বসতে বসতে সপ্না কে বললাম। ও তখন কি একটা আনতে কিচেনে গিয়েছিল। এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে একটা দুষ্ট হাসি হেসে বলল, “কেন আমার হবু বর?

”চোখ কচলাতে কচলাতে বিরক্তি মিশ্রিত কণ্ঠে বললাম, “হ্যাঁ,ভাঙল। দরজাটা খোলা রাখছো কেন? ”–“আরে ভাইয়া,সেই কথাই তো বলতে চাচ্ছিলাম। আমাদের ক্লাস আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে মানে ক্লাস সাসপেন্ড করা হয়েছে।” শাওন দাঁত গুলা বের করে বলল।আমি ভেতরে ভেতরে ভীষণ খুশি হলাম। গত কয়েকদিন হতে আম্মুকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল। ভাবছিলাম বন্ধটাতে যাওয়া যাবে চট্টগ্রাম। আমার আম্মা ওখানেই ছিলেন তখন। বাহিরে খুশিটা দেখালাম না। নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “তাই নাকি?

”–হ্যাঁ ভাইয়া,মুনীম স্যার এসে বলে গেলেন এই মাত্র। আপনাকে ঘুমে পেয়ে আর ডিস্টার্ব করেন নাই। আর এই জন্যই দরাজাটা খোলা।ও হয়ত আমার কাছ থেকে অন্ততঃ একটা হাসি আশা করছিল। কিন্তু আমি সেই একই নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “ভাল।”এই বলে গেলাম টয়লেটে। ভীষণ হাগা ধরছিল। পেশাবও ধরছিল প্রচণ্ড। আমাদের টয়লেটটা রুম থেকে একটু দূরে ছিল। রুমের সামনের করিডোরটা দিয়ে হেঁটে যাওয়া লাগত। পথে আবার সুমনের সাথে দেখা। ও হল আমার ভাইয়ের মত। সেই ক্লাস ওয়ান থেকে এখনও আমার সাথে তার বন্ধুত্ব আছে। খুব ভালো ছেলে। তখন ও পড়ত আর্কিটেকচারে আর আমি পড়তাম কম্পিউটার সায়েন্সে। ওর ফ্যামিলিও তখন চট্টগ্রাম। দুইজন সবসময় একসাথে যাওয়া আসা করতাম। দেখা হওয়ার সাথে সাথে সুমন আমার দিকে একটা হাসি দিয়ে বলল, “দোস্ত,খালাম্মার লগে দেখা করতে যাবি না? –একটা সুষম সপ্তভুজ আঁকতে হবে। তাও আবার একটা কম্পাস আর স্কেল দিয়ে,পারবা?

Leave a Reply